nbajii-র ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দিন এবং এক্সক্লুসিভ ক্যাশব্যাক, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, দ্রুত উইথড্রয়াল ও বিশেষ উপহার উপভোগ করুন।
খেলার পরিমাণ বাড়ানোর সাথে সাথে আপনার টায়ার উপরে উঠবে এবং সুবিধাও বাড়তে থাকবে।
nbajii-তে প্রতিটি বাজি এবং গেম খেলায় পয়েন্ট অর্জন হয়। পয়েন্ট জমলে টায়ার আপগ্রেড হয় এবং সুবিধাও বাড়ে।
১৮,৪৩০ / ২৫,০০০ পয়েন্ট অর্জিত
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্লাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৩% | ৭% | ১২% | ২০% |
| উইথড্রয়াল সময় | ১৫ মি. | ১০ মি. | ৫ মি. | তাৎক্ষণিক |
| সর্বোচ্চ উইথড্রয়াল / মাস | ৳৫০,০০০ | ৳২,০০,০০০ | ৳১০,০০,০০০ | সীমাহীন |
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | ✗ | ✗ | ✓ | ✓ |
| বিশেষ টুর্নামেন্ট | ✗ | ✓ | ✓ | ✓ |
| মাসিক গিফট | ✗ | ✗ | ✓ | লাক্সারি |
| কাস্টম বোনাস | ✗ | ✗ | ✗ | ✓ |
| জন্মদিন বোনাস | ✓ | ✓ | ✓ | ✓ |
প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পান। হেরে গেলেও ফিরে পাওয়ার সুযোগ থাকে।
ডায়মন্ড সদস্যরা যেকোনো সময় তাৎক্ষণিকভাবে টাকা তুলতে পারেন — কোনো অপেক্ষা নেই।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি সার্বক্ষণিক সাহায্য করেন।
ভিআইপি-অনলি টুর্নামেন্টে অংশ নিন যেখানে সাধারণ সদস্যরা প্রবেশ করতে পারেন না।
প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা প্রতি মাসে বিশেষ উপহার পান — বোনাস ক্রেডিট থেকে শুরু করে লাক্সারি গিফট পর্যন্ত।
ভিআইপি সদস্যরা সাধারণ কিউ বাদ দিয়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলতে পারেন।
অনলাইন গেমিং ও বেটিংয়ে অনেক প্ল্যাটফর্মই বিভিন্ন অফার দেয়, কিন্তু nbajii-র ভিআইপি প্রোগ্রামটা একটু আলাদা। এখানে শুধু বড় বাজি ধরলেই ভিআইপি হওয়া যায় না — নিয়মিত খেলা, বিশ্বস্ততা এবং প্ল্যাটফর্মের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কই এখানে মূল বিবেচনা। প্রতিটি ৳১০০ বাজিতে পয়েন্ট জমা হয় এবং সেই পয়েন্ট দিয়ে ধীরে ধীরে উপরের স্তরে উঠে যাওয়া যায়।
nbajii ভিআইপি প্রোগ্রামের চারটি স্তর রয়েছে — সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড। প্রতিটি স্তরে আলাদা আলাদা সুবিধা থাকে এবং উপরের স্তরে উঠলে সুবিধাগুলোও বড় হতে থাকে। সিলভার থেকে শুরু হলেও, গোল্ডে পৌঁছানোটা খুব একটা কঠিন নয় — নিয়মিত খেলুন এবং পয়েন্ট জমান। বাংলাদেশের অনেক সক্রিয় সদস্য মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গোল্ড স্তরে পৌঁছে গেছেন।
সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা আসে সেটা হলো — ভিআইপি মানে কি শুধুই বড় অর্থের খেলোয়াড়দের জন্য? উত্তর হলো না। nbajii বিশ্বাস করে যে প্রতিটি নিয়মিত সদস্যই বিশেষ আচরণ পাওয়ার যোগ্য। তাই সিলভার স্তর থেকেই ক্যাশব্যাক, জন্মদিনের বোনাস এবং পয়েন্ট সিস্টেমের সুবিধা শুরু হয়। আস্তে আস্তে খেলতে খেলতে পয়েন্ট বাড়লে সুবিধাও বাড়বে।
ডায়মন্ড স্তরে পৌঁছানো মানে হলো nbajii পরিবারের সবচেয়ে সম্মানিত সদস্য হওয়া। এই স্তরে একজন ডেডিকেটেড ভিআইপি হোস্ট থাকেন যিনি ব্যক্তিগতভাবে সব ধরনের সাহায্য করেন। উইথড্রয়ালে কোনো সীমা নেই, যেকোনো সমস্যায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়া যায়, এবং প্রতি মাসে বিশেষ কাস্টম বোনাস প্যাকেজ অফার করা হয় যা অন্য কোনো স্তরে পাওয়া যায় না।
nbajii-র ভিআইপি পয়েন্ট সিস্টেমটা স্বচ্ছ। প্রতিটি খেলায় কত পয়েন্ট পাবেন তা আগে থেকেই জানা যায়। ক্যাসিনো গেমে বেটিংয়ের চেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া যায়, আর স্লটে সবচেয়ে বেশি। এটা ইচ্ছাকৃত — কারণ nbajii চায় সদস্যরা নিজের পছন্দের গেমেও পুরস্কৃত হোক। বিশেষ ইভেন্ট বা লাইভ ক্যাসিনো টুর্নামেন্টে অংশ নিলে বোনাস পয়েন্টও পাওয়া যায়।
অনেকে মনে করেন একবার উচ্চ স্তরে উঠলে নামবে না — কিন্তু বাস্তবতা হলো পয়েন্ট প্রতি মাসে রিসেট হয় না, বরং বার্ষিক ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। তাই এক মাস একটু কম খেললেই স্তর হারানোর ভয় নেই। nbajii চায় সদস্যরা চাপমুক্তভাবে খেলুক এবং ভিআইপি সুবিধাটা উপভোগ করুক, না যে শুধু স্তর ধরে রাখতে গিয়ে অতিরিক্ত খেলুক। দায়িত্বশীল গেমিং এখানেও প্রযোজ্য।
যারা ইতোমধ্যে nbajii-তে একটি অ্যাকাউন ্ট আছে, তারা লগইন করলেই ড্যাশবোর্ডে নিজের বর্তমান ভিআইপি স্তর ও জমানো পয়েন্ট দেখতে পাবেন। পরবর্তী স্তরে পৌঁছাতে আর কত পয়েন্ট দরকার সেটাও সেখানে স্পষ্টভাবে দেখানো থাকে। নতুন সদস্যরা নিবন্ধন করার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলভার স্তরে যোগ দেন এবং প্রথম বাজি থেকেই পয়েন্ট গণনা শুরু হয়।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, nbajii ভিআইপি প্রোগ্রামটা এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে আপনি যত বেশি খেলবেন, তত বেশি পাবেন। এটা কোনো জটিল শর্তের জালে আটকানো নয় — সহজ পয়েন্ট সিস্টেম, স্বচ্ছ সুবিধা এবং সত্যিকারের পুরস্কার। বাংলাদেশের গেমিং কমিউনিটিতে এই ধরনের প্রোগ্রাম এখনো বেশ বিরল, এবং nbajii সেই শূন্যস্থানটাই পূরণ করতে চায়।
"গোল্ড স্তরে ওঠার পর থেকে উইথড্রয়াল অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে ৩০ মিনিট লাগত, এখন ১০ মিনিটেই বিকাশে টাকা চলে আসে।"
"প্লাটিনামে ওঠার পর একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার পেয়েছি। উনি বাংলায় কথা বলেন, যেকোনো সমস্যায় সাথে সাথে সাহায্য করেন। এই সুবিধাটা সত্যিই অসাধারণ।"
"সিলভার থেকে শুরু করেছিলাম। মাত্র দুই মাসে গোল্ডে উঠে গেছি। ক্যাশব্যাকটা সত্যিই কাজে লাগে — প্রতি সপ্তাহে কিছু না কিছু ফেরত পাই।"